হ্যালো বন্ধুরা ,তোমরা হয়তো অনেকেই অলৌকিক ঘটনা সম্পর্কে শুনেছো । আজ এমন একটি অলৌকিক ঘটনা আমি তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছি।
হাজার হাজার বছরের অনেক ইতিহাস আমাদের মধ্যে এখনো অজানা। কিন্তু নির্দিষ্ট কিছু তথ্য সাধারনত আমরা অনেকেই জানি। জানা অজানার মধ্যে লুকিয়ে থাকে অনেক রহস্য।
অলৌকিক ঘটনা গুলো আমাদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। কেউ বলে আত্মা আছে ,কেউ বলে যে আত্মা নেই । আবার কেউ বলে মৃত্যুর পর আত্মা ফিরে আসে, কেউ বলেন মৃত্যুর পর আত্মা ফিরে আসে না। আবার কখনো এটাও শুনতে পেয়েছি যে মৃত মানুষকে জীবন্ত করা যায় । কিন্তু এসব আমরা শুনেছি বা বই-পুস্তকে পড়েছি।
মিশরীয় ঘটনা আমরা অনেকেই জানি যে সেখানে মৃত মানুষকে পোড়ানো বা পুতে ফেলা হতো না । মৃতদেহটিকে তারা ওষুধ মেশানো কাপড়ে জড়িয়ে মমিতে পরিণত করত। এমনকি তারা মৃতদের ব্যবহার্য জিনিস গুলো মমির ভিতর রাখত । কিন্তু এটা শুধু ধনীদের জন্য । কারন নিম্ন পরিবার মৃতদেহগুলোকে মমিতে পরিণত করে রাখার জন্য খরচ বহন করতে পারত না । মিসরীয়রা মনে করত শরীরের মৃত্যু ঘটলেও আত্মার মৃত্যু ঘটেনা ।
এছাড়াও আরো অনেক এমন ঘটনা আছে যে, মৃতদেহ কে পুনরায় জীবিত করা যায় ।
প্রায় 2400 বছর পূর্বে বগুড়া জেলায় এমন একটি ঘটনা ঘটতো। বগুড়া শহর থেকে 13 কিলোমিটার উত্তরে করোতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠে মহাস্থানগড়। মহাস্থানের কল্পকাহিনীতে অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্ব পরশুরাম । পরশুরামের রাজপ্রাসাদ এর একটি ধ্বংসস্তূপ রয়েছে । এ রাজপ্রাসাদের পূর্ব দিকে একটি জিওৎকুন্ডু নামে পাকা কুয়ো রয়েছে। কথিত আছে রাজা পরশুরাম সুলতান মাহীসাওয়ারীর সঙ্গে যুদ্ধে নিহিত সৈনিকদের পানিতে পুনরায় জীবিত করতেন । শাহ সুলতান তা জানতে পেরে চিলের মাধ্যমে গরুর মাংস নিক্ষেপ করে কুয়োটির অলৌকিক ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় । বর্তমান কুয়ো টিতে কোন প্রকার পানি নেই । কিন্তু কুয়োটি এখনো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে । এ ধরনের অনেক ঘটনায় আমাদের অজানা। সবার প্রশ্ন থাকতে পারে যে মৃত মানুষকে সামান্য কুয়ার পানির মাধ্যমে কিভাবে জীবিত করা সম্ভব?
আমরা অমৃত শব্দটি সবাই হয়তোবা শুনেছি । হতে পারে সে পানিতে অমৃতের মত কোন উপাদান সমৃদ্ধ ছিল । কিন্তু কি এমন অলৌকি ক্ষমতা ছিল সেই কুয়াটিতে তা এখনো জানা অজানা।
তো বন্ধুরা আজকের এ ঘটনাটি সম্পর্কে তোমাদের কিছু মতামত থাকলে কমেন্ট করতে পারো।
so bye বন্ধুরা দেখা হবে পরের এপিসোডে এমন একটি রহস্যময় ঘটনা নিয়ে।



